• ৪ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Belview

বিনোদুনিয়া

বাবাকে আমরা সেলিব্রেট করব হাসিমুখেঃ পৌলমী বসু

অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর প্রকাশ্যে আসতেই বেলা ১টা নাগাদ বেলভিউ হাসপাতালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ে পৌলমি বসুর সঙ্গে কথা বলেন। হাসপাতাল চত্বরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কন্যা পৌলমী বসু। পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কান্না ধরা গলায় পৌলমী জানালেন, হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে ২টো নাগাদ বেরিয়ে গলফ্গ্রীনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে মার কাছে নিয়ে যাওয়া হবে তাঁকে। এরপর টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে নিয়ে যাওয়া হবে। তারপর ৩টের পর রবীন্দ্র সদনে যাব। সেখানে ২ ঘণ্টা রাখা হবে তাঁকে। এরপর কেওড়াতলা মহাশ্মশানে হবে শেষ কৃত্য। যে সম্মান ওঁর প্রাপ্য ছিল, তার থেকেও বেশি সম্মান দিয়েছেন বাবাকে। এত আপনজনের মতো ভালবাসা দেওয়ার জন্য আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। বেলভিউ নার্সিংহোমের প্রতিও কৃতজ্ঞ। অরিন্দম কর থেকে শুরু করে প্রত্যেককে অসংখ্য ধন্যবাদ যেভাবে ওনারা চেষ্টা করেছেন।তাঁর মতো চিকিৎসক আরও প্রয়োজন। বাবা চিরকাল আমাদের মধ্যে থেকে যাবেন। বাবাকে আমরা সেলিব্রেট করব হাসিমুখে। আরও পড়ুন ঃ প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন , সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু সত্যিই বেদনাদায়ক। চলচ্চিত্র জগৎ থেকে শুরু করে নাট্যজগৎ অনেক ক্ষেত্রেই ওঁর অগাধ বিচরণ ছিল। রবীন্দ্র সদন থেকে মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়ার পর সন্ধে ৬টা থেকে ৬:৩০-এর মধ্যে গান স্যালুট দিয়ে তাঁকে সম্মান জানানো হবে। উনি পার্থিবভাবে হয়তো চলে গিয়েছেন। কিন্তু তিনি আমাদের মধ্যে বেঁচে থাকবেন। সৌমিত্রদার শূন্যস্থান কেউ পূরণ করতে পারবেন না। আপনি যেখানেই থাকুন ভাল থাকুন। মুখ্যমন্ত্রী এদিন তাঁর শোকবার্তায় লেখেন , বাংলার তথা ভারতের চলচ্চিত্র জগতের কিংবদন্তী নায়ক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় আমাদের ছেড়ে চলে যাওয়ায় বাংলার সকল মানুষের হয়ে আমি আমাদের গভীর মর্মবেদনা প্রকাশ করছি। যে প্রতিভাবান মানুষদের জন্য বিশ্বের দরবারে আমরা প্রতিনিধিত্ব পেয়েছি, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় তাঁদের মধ্যে অগ্রগণ্য ছিলেন। জগৎবরেণ্য চিত্রপরিচালক সত্যজিৎ রায়ের চোদ্দটি ছবি সহ তিনি দুশতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলি হল অপুর সংসার, চারুলতা, অভিযান, অরণ্যের দিনরাত্রি, অশনি সংকেত, সোনার কেল্লা, জয় বাবা ফেলুনাথ, হীরক রাজার দেশে, ঘরে বাইরে, গণশত্রু, গণদেবতা, ঝিন্দের বন্দী, তিন ভুবনের পারে, ক্ষুধিত পাষাণ, কোনি ইত্যাদি। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় একাধারে ছিলেন প্রবাদপ্রতিম চলচ্চিত্র ও মঞ্চাভিনেতা, পাশাপাশি অসামান্য বাচিক শিল্পী, কবি, লেখক, নাট্যকার এবং নাট্যনির্দেশক। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে ২০১২ সালে সারা জীবনের অবদানের জন্য চলচ্চিত্র পুরস্কার, ২০১৫ সালে টেলি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড (হল অফ ফেম) ও ২০১৭ সালে বঙ্গবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করে। এছাড়াও তিনি তাঁর অসামান্য অভিনয়ের জন্য পদ্মভূষণ, দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, বিএফজেএ অ্যাওয়ার্ড, ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড, সংগীত নাটক অ্যাকাডেমি টেগোর রত্ন অ্যাওয়ার্ড সহ বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন। ফ্রান্স সরকার সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে ২০১৮ সালে তাঁদের সর্বোচ্চ সম্মান- লিজিয়ন দ্য অনার- এ ভূষিত করে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার বিশেষ শ্রদ্ধা ও প্রীতির সম্পর্ক ছিল। আমাদের আমন্ত্রণে তিনি বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার গ্রহণ করতে নজরুল মঞ্চে যেমন আমাদের সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন, আবার পাশাপাশি কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকেছেন। তাঁর সসম্মান ও মর্যাদাপূর্ণ, আন্তরিক ব্যবহারে তিনি সকল সময়ে আমাদের চিত্ত স্পর্শ করেছেন। তাঁর মৃত্যু বাংলার জনজীবনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি করল। আমি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবার-পরিজন ও অসংখ্য অনুরাগীর প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি ।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
বিনোদুনিয়া

প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা  সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

চলে গেলেন বর্ষীয়ান টলিউড অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। রবিবার বেলা ১২টা বেজে ১৫ মিনিট নাগাদ হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। তাঁর মৃত্যু্ সংবাদে চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীপাবলির দিনই চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছিলেন যে চিকিৎসায় আর সাড়া দিচ্ছেন না সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। মাল্টি অর্গান ফেলিওরের পরই সম্পূর্ণ ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছিল বর্ষীয়ান অভিনেতাকে। পূর্ণ মাত্রায় অক্সিজেন দেওয়া সত্ত্বেও তাঁর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা একেবারে কমে গিয়েছিল। রক্তচাপও কমছে শরীরে। কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হার্ট কাজ করছে না। আরও পড়ুন ঃ লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ডায়ালিসিস ও প্লাজমাফেরাসিসেও ফল মিলছে না। অভিনেতার মস্তিষ্কের স্নায়ুর সচেতনতা অর্থাৎ গ্লাসগো কোমা স্কেল প্রায় ৫-এর নীচে। ফলে পরিস্থিতি যে জটিলের থেকেও ভয়ঙ্কর পর্যায় পৌঁছেছিল, তা ডাক্তাররা আগেই জানিয়ে দিয়েছিল। প্রসঙ্গত, গত ৬ অক্টোবর করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। সেদিন থেকেই তাঁর আরোগ্য কামনায় রত ছিল সারা বাংলা তথা গোটা দেশ। তাঁদের প্রার্থনার জোর যে ফেলুদাকে এই পরিস্থিতি থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসবেই, তাতে আশাবাদী ছিলেন সৌমিত্র-অনুরাগীরা। কিন্তু তা আর হল না। চলে গেলেন ফেলুদা ।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
বিনোদুনিয়া

লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

এখনও শারীরিক অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। এই অবস্থা থেকে কিংবদন্তি অভিনেতার ফেরার আশা প্রায় নেই বললেই চলে। শনিবার রাত নটার মেডিক্যাল বুলেটিনে বেলভিউ হাসপাতালের পক্ষ থেকে চিকিৎসক অরিন্দম কর জানান , গত প্রায় ৪০ দিন ধরে তাঁরা চেষ্টা চালিয়েছেন। বিভিন্ন রকম চিকিৎসা পদ্ধতিতে তাঁর চিকিৎসা করা হয়েছে। স্টেরয়েড, প্লাজমা থেরাপি, করা হয়েছে। চিকিৎসকদের বড় দল তাঁকে সুস্থ করে তোলার জন্য কাজ করেছে। নিউরোলজি, নেফ্রোলজি থেকে কার্ডিয়াক, অ্যান্টি-ভাইরাল সমস্ত বিভাগের বিশেষজ্ঞরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কোনও চিকিৎসাতেই সাড়া দিচ্ছেন না তিনি। এই অবস্থা থেকে একমাত্র অলৌকিক কিছু ঘটলেই তাঁকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। আরও পড়ুন ঃ চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন না সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এর আগে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের চেতনাস্তর ৯ থেকে ১০-এর মধ্যে ছিল। তা পাঁচ পর্যন্ত নেমে গিয়েছিল। এই স্তর তিনে পৌঁছে গেলে ব্রেন ডেথ হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারকে পুরো বিষয়টি জানানো হয়েছে। তাঁরা বিষয়টি বুঝেছেন অবং পরিস্থিতির দাবি মেনে নিয়েছেন। আশা প্রায় না থাকলেও শেষ সময় পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে , বর্ষীয়ান অভিনেতার একাধিক অঙ্গ-প্রতঙ্গই আর কাজ করেছে না । শনিবার রাতের পরও তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। আপাতত শেষ চেষ্টা করছেন চিকিৎসকরা। পূর্ণ মাত্রায় অক্সিজেন দেওয়া সত্ত্বেও তাঁর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমছে। রক্তচাপ কমছে শরীরেও। কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হার্ট কাজ করছে না। ডায়ালিসিস ও প্লাজমাফেরাসিসেও ফল মিলছে না। অভিনেতার মস্তিষ্কের স্নায়ুর সচেতনতা অর্থাৎ গ্লাসগো কোমা স্কেল প্রায় ৫-এর নীচে। ফলে পরিস্থিতি জটিলের থেকে ভয়ঙ্কর।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
বিনোদুনিয়া

চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন না সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

চিকিৎসায় আর সাড়া দিচ্ছেন না সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। চিকিৎসক অরিন্দম কর জানান, গত ২৪ ঘণ্টা ধরে সৌমিত্রবাবুর শারীরিক অবস্থা ভালো নেই। বিভিন্ন ধরনের লাইফ সাপোর্টের মাধ্যমে তাঁকে সুস্থ করে তোলার জন্য আমাদের চেষ্টা চলছে। তবে চিকিৎসায় আর সাড়া দিচ্ছেন না সৌমিত্রবাবু। অভিনেতার উপর কোনও থেরাপিই আর কাজ করছে না। খুব সংকটে রয়েছেন তিনি। একমাত্র মিরাকলই সৌমিত্রবাবুকে সুস্থ করে তুলতে পারে। আরও পড়ুন ঃ মুক্তি পেল হাবজি গাবজির ট্রেলার তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়েছে। তিনি যাতে সুস্থ হয়ে ওঠেন তার জন্য চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে অভিনেতার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বেসরকারি ওই হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছিল, বর্ষীয়ান এই অভিনেতার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তাঁর পরিস্থিতি ভাল নয়।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
বিনোদুনিয়া

অত্যন্ত সংকটজনক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

অত্যন্ত সংকটজনক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। শুক্রবার বেলভিউ হাসপাতালের পক্ষ থেকে ডা. অরিন্দম কর জানান , বুধবার বর্ষীয়ান অভিনেতার ট্র্যাকিওস্টমি করা হয়েছিল। সফলভাবেই তা সম্পন্ন হয়েছিল। বৃহস্পতিবারই আবার তাঁর প্রথম পর্যায়ের প্লাজমাফেরেসিস সম্পন্ন হয়। এর আগে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যারের চেতনাস্তর ৯ থেকে ১০-এর মধ্যে ছিল। আচমকা তা কেন নেমে গেল তা বোঝা যাচ্ছে না। অভিনেতার হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিকের থেকে অনেক বেশি। কিডনির অবস্থাও ক্রমাগত খারাপ হচ্ছে। ইইজি ও সিটি স্ক্যান করা হয়েছে। কিন্তু তাতে কোনও অস্বাভাবিকতার লক্ষণ দেখা যায়নি। আরও পড়ুন ঃ প্লাজমাফেরেসিস ভালভাবেই সম্পন্ন অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের তার কথায় , চিকিৎসক টিমের পক্ষ থেকে বেস্ট পসিবল এফোর্ট দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আচমকা অভিনেতার শারীরির অবস্থা এতটা খারাপ হয়ে গেল, তা বোঝা যাচ্ছে না। যতদিন ধরে হাসপাতালে কিংবদন্তি অভিনেতা ভরতি রয়েছেন শুক্রবার তাঁর পক্ষে সবচেয়ে খারাপ দিন। তিনি আরও বলেন , আমরা নিজেদের সেরাটা দিয়েছিলাম। কিন্তু সেটা বোধহয় ওনার স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য যথেষ্ট ছিল না।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
বিনোদুনিয়া

প্লাজমাফেরেসিস ভালভাবেই সম্পন্ন অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্লাজমাফেরেসিস ভালভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। আপাতত তিনি স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে বেলভিউ হাসপাতালের তরফ থেকে। বেলভিউ ক্লিনিকের চিকিৎসক ডাক্তার অরিন্দম কর জানান , অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়নি। তবে রক্তচাপ কম রয়েছে কিছুটা। তাতে তেমন চিন্তা নেই। ডায়ালিসিস এবং অন্যান্য বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আরও পড়ুন ঃ ট্র্যাকিওস্টমি ভালভাবেই সম্পন্ন অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের বৃহস্পতিবার তাঁর প্লাজমাফেরেসিস সফল হওয়ার খবরে খুশি পরিবার ও অনুরাগীরা। দুপুরে তাঁর সিটি স্ক্যান-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা করা হয়। তার রিপোর্ট ভাল আসায় শুরু হয় প্লাজমাফেরেসিস। ৮৫ বছর বয়সি অভিনেতার সামান্য জ্বর রয়েছে। তবে ফুসফুস, লিভারের অবস্থা ভালই রয়েছে। চিকিৎসকরা এখন আশা করছেন, প্লাজমাফেরেসিস সফল হওয়ায় অভিনেতার আচ্ছন্নভাব ও অসংলগ্নতা অনেকটাই কেটে যাবে।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
বিনোদুনিয়া

ট্র্যাকিওস্টমি ভালভাবেই সম্পন্ন অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

ভালভাবেই বুধবার সম্পন্ন হয়েছে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ট্র্যাকিওস্টমি। এদিন সন্ধ্যেবেলার মেডিক্যাল বুলেটিনে বেলভিউ হাসপাতালের পক্ষ থেকে ডা. অরিন্দম কর জানান, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ট্র্যাকিওস্টমি করেছেন ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডা. দীপঙ্কর দত্ত। সৌমিত্রবাবুর বয়স এবং অন্যান্য শারীরিক জটিলতার কারণে অস্ত্রোপচার বেশ কঠিন ছিল।তবে তা ভালভাবে সম্পন্ন হয়েছে। রক্তক্ষরণ বন্ধ করা গিয়েছে। এবার বর্ষীয়ান অভিনেতাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। সমস্ত কিছু ঠিক থাকলে বুধবারই প্লাজমাফেরেসিসের পথে হাঁটবেন চিকিৎসকদের দল। আরও পড়ুন ঃ প্লেটলেট কাউন্ট স্বাভাবিক হলেই হবে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্লাজমাফেরেসিস আশা করা হচ্ছে, প্লাজমাফেরেসিস সফল হলে অভিনেতার আচ্ছন্নভাব ও অসংলগ্নতা অনেকটাই কেটে যাবে। তাঁর শরীরের বাকি সমস্ত অঙ্গপ্রতঙ্গে কোনও সমস্যা নেই। নেই জ্বর। রক্তচাপ ও অক্সিজেন স্যাচুরেশনও স্বাভাবিক। প্লাজমাফেরেসিস পদ্ধতির পর সৌমিত্রবাবুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে তাঁকে কিছুক্ষণের জন্য ভেন্টিলেশন থেকে বের করে আনার চেষ্টা করা হবে।

নভেম্বর ১২, ২০২০
বিনোদুনিয়া

প্লেটলেট কাউন্ট স্বাভাবিক হলেই হবে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্লাজমাফেরেসিস

অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্লাজমাফেরেসিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেলভিউ কতৃপক্ষ। মঙ্গলবার রাতে বেলভিউ হাসপাতালের পক্ষ থেকে ডা. অরিন্দম কর মেডিক্যাল বুলেটিনে জানান, ফুসফুস স্বাভাবিকভাবে কাজ না করায় নিয়মিত ডায়ালিসিস করতে হচ্ছে সৌমিত্র বাবুর। প্লেটলেট কাউন্ট নিয়ে একটা সমস্যা হয়েছিল। সেই বিষয়টা খানিকটা স্বাভাবিক হলেই প্লাজমাফেরেসিস করা হবে। আর বুধবার সকাল কিংবা দুপুরের মধ্যেই ট্র্যাকিওস্টমি হবে। এই অস্ত্রোপচারের জন্য যা যা অগ্রিম সতর্কতা প্রয়োজন, সবই আমাদের তরফে নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ ফের বলিউডে কামব্যাক করতে চলেছেন তনুশ্রী দত্ত প্রতিটা সিদ্ধান্তই পরিবারের সঙ্গে আলোচনার পর নেওয়া হয়েছে। তাঁদের প্রতি মুহূর্তে সৌমিত্রবাবু শারীরিক পরিস্থিতির আপডেট দেওয়া হচ্ছে। তাঁরাও আমাদের উপর অগাধ ভরসা রেখেছেন। যে কোনও প্রয়োজনে পাশে থেকেছেন। তাই মন থেকে তাঁদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

নভেম্বর ১১, ২০২০
বিনোদুনিয়া

আগামীকাল ট্র্যাকিওস্টমি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

আগামীকাল ট্র্যাকিওস্টমি করা হবে প্রবীণ অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। ট্র্যাকিওস্টমির ব্যাপারে তাঁর পরিবারের থেকে অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে বলেও জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বুধবার এই অস্ত্রোপচারের পর সৌমিত্রবাবুর ফুসফুসে বেশি অক্সিজেন পৌঁছবে বলেই ধারণা চিকিৎসকদের। ঠিক হয়েছে প্লাজমাফেরেসিসও হবে অভিনেতার। আরও পড়ুন ঃ করোনা আক্রান্ত দক্ষিণী সুপারস্টার চিরঞ্জীবী বেলভিউ হাসপাতালের পক্ষ থেকে ডা. অরিন্দম কর সোমবার রাতের মেডিক্যাল বুলেটিনে জানিয়েছেন, অভিনেতার শারীরিক অবস্থা এখন একইরকম রয়েছে। মাঝে মাঝে তাঁর সংজ্ঞাও ফিরছে। তবে তা বেশিক্ষণের জন্য স্থায়ী হচ্ছে না। ঠিক হয়েছে পুনরায় অভিনেতার ইইজি করা হবে। নেফ্রোলজিস্টরা দেখছেন এই বয়সে আদৌ প্লাজমাফেরেসিস তাঁর পক্ষে কাজ করবে কিনা।

নভেম্বর ১০, ২০২০
বিনোদুনিয়া

শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল , তবুও সঙ্কটজনক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

বর্ষীয়ান অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও উন্নতির তেমন কোনও লক্ষণ চোখে পড়ছে না। শনিবার রাতে মেডিক্যাল বুলেটিনে ডা. কর জানান, সৌমিত্রবাবুর ফুসফুস ভালভাবে কাজ করছে। ভেন্টিলেশন সাপোর্টের অনেকটাই কম প্রয়োজন হচ্ছে। তবে উন্নতির বিশেষ লক্ষণ দেখা যায়নি। আগের মতোই রয়েছেন। লিভারও ঠিকঠাক কাজ করছে। হিমোগ্লোবিনের মাত্রা এখন স্বাভাবিক। প্লেটলেট কাউন্টও স্বাভাবিক আছে। এইদিকগুলির অবস্থা আগের তুলনায় অনেকটাই ভাল। শেষ ৪৮ ঘণ্টায় জ্বর আসেনি। সংক্রমণও নিয়ন্ত্রণে। আপাতত অ্যান্টি-বায়োটিক দেওয়া বন্ধও করা গিয়েছে। তবে কিছু অ্যান্টি-বায়োটিক তাঁর কিডনির উপর খানিকটা প্রভাব ফেলছে। তাই কিডনির সমস্যাটা রয়েই গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ ইনস্টাগ্রামে বড় ঘোষণার আভাস শ্রাবন্তী পুত্রের অল্টারনেটিভ ডায়ালিলিসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্লাজমাফেরেসিসের কথা ভাবা হচ্ছে। তাঁর পরিবারও এই প্রক্রিয়ার জন্য রাজি। তবে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আরও খানিকটা আলোচনার পর এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তাঁর এমন শারীরিক অবস্থায় আদৌও প্লাজমাফেরেসিস সম্ভব কি না, তা নিয়ে সোমবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। চিকিৎসকের কথায়, ৮৫ বছরের এক ব্যক্তির থেকে আর কতখানি আশা করা যায়। তবে এই বয়সেও চ্যাম্পিয়নের মতোই লড়ছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। সকলেই তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
বিনোদুনিয়া

শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। শুক্রবার রাতে মেডিক্যাল বুলেটিনে মেডিক্যাল বোর্ডের অন্যতম প্রধান চিকিৎসক অরিন্দম কর জানান , সব ঠিক থাকলে শিগগিরই তাঁর অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ বন্ধ করা হবে। তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হলেও, তাঁকে এখনই ভেন্টিলেশনের বাইরে আনার মতো অবস্থা হয়নি। আরও পড়ুন ঃ শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবীণ অভিনেতার শ্বাসনালীর জন্য ট্রাকিওস্টোমি করা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এই দু, একদিনের মধ্যেই। অবশ্য শনি বা রবিবার তাঁর শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আপাতত হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কিছুটা বাড়লেও, তা স্বাভাবিকের তুলনায় কমই রয়েছে। তবে তাঁকে বারবারই রক্ত দিতে হচ্ছে। স্বাভাবিক রয়েছে প্লেটলেটস কাউন্ট। খুব ধীরে ধীরে কাটছে আচ্ছন্নভাব।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
বিনোদুনিয়া

শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

চেতনা সামান্য হলেও ফিরেছে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। সৌমিত্রবাবুর চিকিৎসক টিমের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক অরিন্দম কর জানিয়েছেন , বারবার ডাকলে সামান্য চোখ খুলে তাকাচ্ছেন অভিনেতা। তবে বারবার রক্ত দেওয়ার পরেও কেন হিমোগ্লোবিন ও প্লেটলেটসের ধারাবাহিক পতন আটকানো যাচ্ছে না, তা গভীর চিন্তায় রেখেছে চিকিৎসকদের। তাঁর শরীরের সেকেন্ডারি ইনফেকশনকেই মাথাব্যথার কারণ বলছেন চিকিৎসকরা। আরও ্পড়ুন ঃ হিমোগ্লোবিনের মাত্রা আরও কম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের বুধবার পর্যাপ্ত মূত্রত্যাগ না হলেও এদিন তাঁর মূত্র নিঃসরণ ছিল স্বাভাবিক। বৃহস্পতিবার সৌমিত্রের কিডনি ও স্নায়ুর দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার পাশাপাশি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা স্থির করার জন্য তিনটি বোর্ড বৈঠকে বসে। সেই বৈঠকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অভিনেতার পরিজনও।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
বিনোদুনিয়া

হিমোগ্লোবিনের মাত্রা আরও কম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

সঙ্কট যেন কিছুতেই কাটছে না অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। বুধবার রাতে বেলভিউ হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, সৌমিত্রবাবুর রক্তে হিমোগ্লোবিন ও অনুচক্রিকার মাত্রা তলানির দিকে। তাঁর ট্র্যাকিওস্টমি করার কথাও ভাবছেন চিকিৎসকরা। তবে এখনও কোনও কিছুই চূড়ান্ত নয়। এদিন নতুন করে তাঁর দেহে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়নি। বাড়েনি ভেন্টিলেশনের মাত্রা। আরও পড়ুন ঃ কিডনির স্ট্রেস কমাতে ফের ডায়ালিসিস সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ইতিমধ্যেই চারবার ডায়ালিসিস হয়ে গিয়েছে অভিনেতার। তবু বুধবার স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটাই কম মূত্র নিঃসরণ হয়েছে তাঁর। হাসপাতাল সূ্ত্রে জানা গিয়েছে , বৃহস্পতিবার সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কিডনির সমস্যা নিয়ে আলোচনায় বসতে চলেছে নেফ্রোলজি ও নিউরোলজি বোর্ড।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
বিনোদুনিয়া

কিডনির স্ট্রেস কমাতে ফের ডায়ালিসিস সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

শারীরিক অবস্থা একইরকম হয়েছে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। মঙ্গলবার ডাক্তার কর জানান, বর্ষীয়ান অভিনেতার নতুন করে রক্তক্ষরণ হয়নি। তাঁর শারীরিক অবস্থা একইরকম হয়েছে। হিমোগ্লোবিন প্রায় স্থিতিশীল পর্যায়ে চলে এসেছে। কিডনির স্ট্রেস কমাতেই এদিন ডায়ালিসিস করা হয়েছে। ইউরিন আউটপুট ভাল। ভাস্কুলার সার্জেন, রেডিওলজিস্ট, অ্যানাস্থেসিস্ট তাঁকে ২৪ ঘণ্টাই পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। নতুন করে যাতে আর রক্তক্ষরণ না হয়, সেদিকেই বিশেষভাবে খেয়াল রাখছেন চিকিৎসকরা। আরও পড়ুন ঃ ১৪ বছর বয়সে যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন আমির কন্যা ইরা অভিনেতার শারীরিক অবস্থা সন্তোষজনক হলেই তাঁর নিউরোলজিক্যাল বিষয়গুলি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা হবে। গত কয়েকদিনের মতো মঙ্গলবারও অভিনেতার মস্তিষ্কের স্নায়ুর সচেতনতা অর্থাৎ গ্লাসগো কোমা স্কেলে সূচক ১০-এর কাছাকাছি। আচ্ছন্নভাব থাকলেও চোখ খুলছেন তিনি।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
বিনোদুনিয়া

এখনও গভীর সঙ্কটজনক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

হিমোগ্লোবিনের মাত্রা এখনও স্বাভাবিকের থেকে কম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। রবিবার সন্ধের পর থেকে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়েছে সাময়িক, তবে এখনও তা ভরসা যোগাচ্ছে না চিকিৎসকদের। চিকিৎসক অরিন্দম কর জানান , বর্ষীয়ান অভিনেতার ইন্টারনাল ব্লিডিং বা রক্তক্ষরণ বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। নতুন করে যাতে আর কোনওভাবে রক্তক্ষরণ না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে। সোমবার রাতে বা মঙ্গলবার সকালে একটা ছোট ভাস্কুলার প্রসিডিয়োর করে শরীরের মধ্যে জমে থাকা রক্ত বের করে নেওয়া হবে, যাতে সেখান থেকে আবার একদফা সংক্রমণ না-ছড়ায়। তবে রক্তচাপ স্বাভাবিক রয়েছে, হৃদযন্ত্র,ফুসফুস সহ অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক ভাবে কাজ করছে। যদিও করোনা এনকেফেলোপ্যাথির জন্য তাঁর মস্তিষ্ক স্বাভাবিক ভাবে কাজ করছে না৷ আরও পড়ুন ঃ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা খুবই কম তিনি আরও ্জানান , তাঁর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রাও ঠিকই রয়েছে। তবে তাঁর অচেতন ভাব এখনও কাটেনি। সেটিই কীভাবে কাটিয়ে আবার আগের মতো সুস্থ করা সম্ভব হয় সে বিষয়েই চিন্তাভাবনা চালাচ্ছেন চিকিৎসকরা। ফেলুদাকে ২৪ ঘণ্টা ভাস্কুলার সার্জেন, রেডিওলজিস্ট, অ্যানাস্থেসিস্ট পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
বিনোদুনিয়া

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা খুবই কম

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শরীরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে । সোমবার এমনটাই জানানো হয়েছে বেলভিউ হাসপাতালের তরফ থেকে। এদিন চিকিৎসক অরিন্দম কর জানান , আজ রক্তক্ষরণ হয়নি। যদিও রক্ত দেওয়ার পরও তাঁর শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা খুবই কম। যদি ফের তাঁর শরীরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়ে থাকে তাহলে বিশেষজ্ঞ টিমের সঙ্গে কথা বলে তাঁর ভাসকুলার ইন্টারভেশন করা হবে । হিমোগ্লোবিনের মাত্রা নতুন করে নেমে যায়নি । তাঁর হার্ট রেট, ব্লাড প্রেসার সব কিছুই স্থিতিশীল রয়েছে । আজ আর কোনও ডায়ালিসিস করা হবে না । তাঁর শরীরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ কীভাবে বন্ধ করা যায় এখন সেটাই চেষ্টাই করছি আমরা । বিষয়টা অনেকটাই আয়ত্তে আনা গিয়েছে । তবে আমরা কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছি না । আরও পড়ুন ঃ শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

নভেম্বর ০২, ২০২০
বিনোদুনিয়া

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ডায়ালিসিস হল না আজ

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা একইরকম রয়েছে। শনিবার বেলভিউ হাসপাতালের তরফ থেকে জারি করা মেডিক্যাল বুলেটিনে জানানো হয়েছে , সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ইউরিন আউটপুট ভাল হয়েছে। সেই কারণে এদিনও ডায়ালিসিস হয়নি তাঁর। তাঁর মস্তিষ্কের স্নায়ুর সচেতনতা অর্থাৎ গ্লাসগো কোমা স্কেলে সূচক ১০-এর কাছাকাছি। তাঁর শরীরে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম রয়েছে। সেই কারণে ফের তাঁকে রক্ত দিতে হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ আমাদের দেশ বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদীর হাতে জ্বলছেঃ নুসরত এদিন প্লেটলেট ট্রান্সফিউশনও হয়েছে। অভিনেতার রক্তচাপ-সহ শরীরের বাকি কন্ডিশন ভাল রয়েছে বলেই জানানো হয়েছে। সৌমিত্রবাবুর রক্তক্ষরণের কারণও জানা গিয়েছে। সেই মতো ওষুধ চলছে। তাঁর পরিবারকে বিস্তারিত জানানো হয়েছে বলে জানান ডা. অরিন্দম কর।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
বিনোদুনিয়া

শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

আগামীকাল ফের তৃতীয় দফার ডায়ালিসিস হতে পারে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। শুক্রবার বেলা তিনটের মেডিক্যাল বুলেটিনে বেলভিউ হাসপাতালের পক্ষ থেকে এমনটাই জানালেন চিকিৎসক অরিন্দম কর। তিনি এদিন জানান , গত দুদফা ডায়ালিসিসের তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির কতটা উন্নতি হয়েছে , তা খতিয়ে দেখার পরেই তৃতীয় দফার ডায়ালিসিস নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আরও পড়ুন ঃ মাস্ক পরেই মা লক্ষ্মীকে সাজালেন অপরাজিতা আঢ্য তিনি এদিন আরও জানান , গত ২৪ ঘণ্টায় সৌমিত্রবাবুর ইউরিন আউটপুটের উন্নতি হয়েছে। প্রায় ১.৫ লিটার। ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিনের পরিমাণও কমেছে। আগের থেকে অনেক স্থিতিশীল সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। এদিন সকালে তিনি চোখও খুলেছেন। তবে আচ্ছন্নভাব এখনও রয়েছে। শরীরে আরও নতুন জটিলতা তৈরি হয়নি। রক্তক্ষরণও হয়নি। রক্তের অ্যাসিডোসিস পার্টও চিহ্নিত করা গিয়েছে। অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৪০ শতাংশের নিচে নেমে গিয়েছে। হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ আগের থেকে ভাল হয়েছে। তবে এখনও কিছুটা কম. তাই রক্ত দিতে হয়েছে। তবে বর্ষীয়ান অভিনেতার প্লেটলেট কাউন্ট ঠিক আছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২০
বিনোদুনিয়া

এখনও সঙ্কটজনক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

আচ্ছন্নভাব থাকলেও ধীরে ধীরে চোখ খোলার চেষ্টা করছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বেলভিউ হাসপাতালের পক্ষ থেকে দুপুরের মেডিক্যাল বুলেটিনে এমনটাই জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে , তাঁর রক্তচাপ আপাতত নিয়ন্ত্রিত। ইতিমধ্যেই সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের রেনাল ফাংশন ঠিক করার জন্য প্রথম দফার ডায়ালিসিস হয়ে গিয়েছে। যার ফলে, ইউরিন আউটপুট খানিক হলেও বেড়েছে। আরও পড়ুনঃ আগামী ৮-১৫ জানুয়ারি কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবঃ মমতা ইউরিয়া ক্রিয়েটিনিন সামান্য ভাল বুধবারের তুলনায়। লিভার এবং অন্যান্য অঙ্গ আপাতত মোটের উপর কাজ করছে। এবার বিকেলে তাঁকে ফের দ্বিতীয় দফার ডায়ালিসিস দেওয়া হবে। তবে এখনও ভেন্টিলেশনেই রয়েছেন তিনি । হিমোগ্লোবিন আরও কমে গিয়েছে আজ। সেই কারণে ফের আজ বৃহস্পতিবার ব্লাড ট্রান্সফিউশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেডিকেল বোর্ড।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
বিনোদুনিয়া

এখনও সংকট পুরোপুরি কাটেনি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

প্রবীণ অভিনেতার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও, সংকট এখনও পুরোপুরি কাটেনি। শরীরে মাঝেমধ্যেই অক্সিজেন ও রক্তচাপ ওঠানামা করছে। শুক্রবার থেকে স্নায়ুর সমস্যা খানিকটা বেড়ে গিয়েছে বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের চিকিৎসার জন্য আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে চলেছেন বেলভিউয়ের চিকিৎসকেরা। আরও পড়ুনঃ স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলি পর্ন হাব ছাড়া কিছুই নয়ঃ কঙ্গনা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক অরিন্দম কর জানিয়েছেন, শারীরিক অবস্থা সামান্য স্থিতিশীল। রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক নেই। কিছুটা কমলেই রক্ত দেওয়া হচ্ছে। তাঁর রক্তচাপ এবং অক্সিজেনজনিত সমস্যা ধরা পড়েছে। তবে দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হয়েছে। চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন তিনি। কোভিড পরবর্তী এক জটিল রোগে আক্রান্ত বর্ষীয়ান অভিনেতা। কোভিড ১৯-কে জয় করার পর অনেক রোগীর শরীরেই এই অটোইমিউন এনসেফ্যালাইটিস ধরা পড়ে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ও আপাতত সেই রোগেই কষ্ট পাচ্ছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সৌমিত্রর জ্ঞান নেই বললেই চলে। সকলকে চিনতে পারছেন না তিনি। খুবই আচ্ছন্ন। চিকিৎসকদের কথাতেও কখনও কখনও সাড়া দিয়ে উঠছেন। কখনও কোনও সাড়াই পাওয়া যাচ্ছে না তাঁর।

অক্টোবর ২৪, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত? সাত বাসিন্দাকে নিয়ে থানায় বিধায়ক, শুরু বড় বিতর্ক

জীবনতলা থানায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়েরকে ঘিরে ক্যানিং পূর্বে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ায় বৈধ ভোটার হওয়া সত্ত্বেও বারবার ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা তুলে অভিযোগ জানিয়েছেন কয়েক জন বাসিন্দা। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা তাঁদের নিয়ে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। মোট সাত জন বাসিন্দা লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁরা বহু বছর ধরে ভোট দিচ্ছেন এবং পরিবারের নথিপত্র সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দেওয়া সত্ত্বেও বারবার শুনানির নামে ডাকা হচ্ছে এবং হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তাঁদের আশঙ্কা, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে নাম বাদ পড়তে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা তৈরি হতে পারে।অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, গণনা ফর্ম জমা দেওয়ার পরও একাধিকবার ডেকে নথি যাচাই করা হয়েছে। তবুও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় তাঁরা উদ্বিগ্ন। এই পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের দাবি, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই এমন অভিযোগ তোলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁদের বক্তব্য, নাম বাদ পড়েছে কি না তা চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে। তবে বিধায়ক শওকত মোল্লা দাবি করেছেন, বহু পুরনো ভোটারদের ক্ষেত্রেও অকারণে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে এবং গত কয়েক দিনে বিপুল সংখ্যক নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

বাংলাদেশে সরকার বদল আর সঙ্গে সঙ্গেই বড় সিদ্ধান্ত, খুলছে ভিসার দরজা

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে। তারেক রহমান নেতৃত্বে সরকার গঠনের পরই কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই আবার বাংলাদেশে ভিসা পরিষেবা চালু করতে চলেছে ভারত। ফলে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার পর স্বস্তির বার্তা পাচ্ছেন দুই দেশের সাধারণ মানুষ ও পর্যটকরা।নতুন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পরই বাংলাদেশএর সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার বার্তা দেয় নয়াদিল্লি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নির্বাচনী জয়ের শুভেচ্ছা জানান। শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওম বিড়লা। এরপরই কূটনৈতিক স্তরে যোগাযোগ বাড়ে এবং ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।কূটনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ধাপে ধাপে সব ধরনের ভিসা পরিষেবা চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সিলেটের কনস্যুলার দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেই পর্যটন ভিসা-সহ অন্যান্য ভিসা চালু করা হবে। বর্তমানে সীমিত পরিসরে চিকিৎসা ও বিশেষ শ্রেণির ভিসা দেওয়া হলেও ভবিষ্যতে তা আরও বিস্তৃত করা হবে।উল্লেখ্য, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে গত বছর থেকে বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা পরিষেবা ধাপে ধাপে বন্ধ হয়ে যায়। জুলাইয়ের অশান্ত পরিস্থিতি এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত আগমনের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পরে ঢাকাসহ একাধিক শহরে ভিসা কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে প্রতিদিনের ভিসা অনুমোদনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।ছাত্র আন্দোলন ও রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে ভিসা পরিষেবা পুরোপুরি স্থগিত করা হয়েছিল। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের তরফেও ভারতের বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনে পরিষেবা সীমিত করা হয়। তবে নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আবার সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ শুরু হয়েছে এবং ভিসা পরিষেবা চালুর সিদ্ধান্তকে সেই প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মেলেনি, এবার যুব সাথীর লাইনে এমএ পাশ তরুণী

বিয়ের পর পদবি পরিবর্তনের জটিলতায় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ উঠল হুগলির চুঁচুড়া এলাকার এক শিক্ষিতা যুবতীর ক্ষেত্রে। এমএ পাশ করার পরও চাকরি না পেয়ে বাড়িতে বসে রয়েছেন তানিয়া মণ্ডল দাস। তিনি জানান, পদবি পরিবর্তনের কারণে দুবার আবেদন করেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাননি। তাই নতুন আশায় এবার রাজ্যের যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছেন। তবে তাঁর মনে এখনও আশঙ্কা, পদবি সংক্রান্ত একই সমস্যায় এই প্রকল্পের সুবিধাও হাতছাড়া হতে পারে। তানিয়া বলেন, পড়াশোনা শেষ করেও কাজ না পাওয়ায় আর্থিকভাবে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। চাকরির পরীক্ষার ফর্ম পূরণ করতেও খরচ হয়, তাই এই ভাতা পেলে কিছুটা সাহায্য হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভাতার থেকে চাকরি পেলে আরও ভালো হতো, কারণ কেউ অন্যের উপর নির্ভর করে থাকতে চান না। তানিয়ার শিক্ষাজীবন শুরু হুগলির হুগলি মহসিন কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার মাধ্যমে। পরে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বিয়ের আগে তাঁর পদবি ছিল মণ্ডল, কিন্তু বিয়ের পর তা পরিবর্তিত হয়ে দাস হওয়ায় বিভিন্ন নথিতে ভিন্নতা তৈরি হয়েছে। মাধ্যমিকের প্রবেশপত্র ও ভোটার পরিচয়পত্রে পুরনো পদবি থাকলেও আধার, ব্যাঙ্কের নথি ও বিবাহের শংসাপত্রে নতুন পদবি থাকায় পরিচয় সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই কারণেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আবেদন বাতিল হয়েছে বলে দাবি তাঁর। স্থানীয় পুর প্রশাসনের তরফে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ জানান, প্রয়োজনীয় নথির সংশোধন করলে সুবিধা পেতে অসুবিধা হবে না এবং কোনও সমস্যা হলে পুরসভা সহযোগিতা করবে। তানিয়ার মতো অনেক মহিলার ক্ষেত্রেই বিয়ের পর পদবি পরিবর্তনকে ঘিরে এমন সমস্যা দেখা যাচ্ছে, যা প্রশাসনিক স্তরে সমাধানের দাবি তুলছে সাধারণ মানুষ।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অমান্য? বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে ফের বড় আইনি লড়াই

মহার্ঘ ভাতা মামলায় রাজ্য সরকারকে বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত বকেয়া পরিশোধ হয়নি বলে অভিযোগ সরকারি কর্মীদের। সেই কারণে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে ফের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। দীর্ঘদিন ধরে মহার্ঘ ভাতার দাবিতে আন্দোলন এবং অনশন কর্মসূচি চালিয়েছিলেন কর্মীরা। পরে বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এর বেঞ্চ বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দেয়। আদালতের রায়ে বলা হয়েছিল, অবিলম্বে পঁচিশ শতাংশ বকেয়া মিটিয়ে দিতে হবে এবং একত্রিশ মার্চের মধ্যে বাকি পঁচাত্তর শতাংশ পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু অভিযোগ, এই নির্দেশ কার্যকর করতে এখনও কোনও উদ্যোগ নেয়নি রাজ্য সরকার। গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি জারি হওয়া আদালতের নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী কে আদালত অবমাননার নোটিস দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ জারির এক সপ্তাহ পরও বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় মামলাকারীরা ফের আইনি পথ বেছে নিয়েছেন এবং নতুন করে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেছেন। যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, রাজ্য সরকারের মধ্যে শীর্ষ আদালতের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের মানসিকতা দেখা যাচ্ছে না। তাঁর দাবি, নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আবেদনও করা হয়নি এবং প্রশাসনিক উদ্যোগের অভাবেই কর্মীরা বাধ্য হয়ে আবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রকল্পে নাম লিখালেন বিজেপি নেত্রী, সামনে আসতেই তোলপাড় রাজনীতি

ভোটের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষিত যুব সাথী প্রকল্প ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়ছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভাতার রাজনীতি করে ভোটে প্রভাব ফেলতে চাইছে সরকার। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই হুগলির আরামবাগ এলাকায় যুব সাথীর ফর্ম জমা দেওয়ার লাইনে দেখা গেল বিজেপি নেত্রী সুদেষ্ণা অধিকারী মোহান্তকে। শুক্রবার গোঘাট দুই নম্বর ব্লক অফিসে লাইনে দাঁড়িয়ে ফর্ম পূরণ করতে দেখা যায় তাঁকে। তিনি জানান, ছেলের জন্য ফর্ম জমা দিচ্ছেন, তবে নথিতে গ্রাহক হিসেবে তাঁর নিজের নামই দেখা যায়। ক্যামেরার সামনে তিনি বলেন, বহু শিক্ষিত যুবক এখনও বেকার, তাঁদের তথ্য নথিভুক্ত হওয়া প্রয়োজন। এই অর্থ কোনও দলের নয়, সরকারের, তাই সকলের প্রাপ্য বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে প্রকল্প চালুর জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অনেক বেকার যুবকযুবতীর চাকরির আবেদন করতে অর্থের অভাব থাকে, তাঁদের জন্য এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। গোঘাট দুই ব্লকের তৃণমূল সভাপতি সৌমেন দিগার বলেন, সব স্তরের মানুষের জন্য কাজ করার ফলেই মুখ্যমন্ত্রীর প্রকল্পে বিরোধীরাও আগ্রহ দেখাচ্ছেন। যদিও বিজেপির তরফে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি, তবে রাজনৈতিক মহলে ঘটনাটি ঘিরে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে এবং ভোটের আগে এই ছবি নতুন বার্তা দিচ্ছে বলেই মত পর্যবেক্ষকদের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

গেল শীত, হঠাৎই বাড়ছে গরম—বসন্ত না আসতেই বদলে গেল আবহাওয়া

শীত বিদায় নিতেই বাংলায় দ্রুত বাড়ছে গরমের প্রভাব। বসন্তের স্বস্তি প্রায় দেখা না মিলতেই গ্রীষ্মের পথে হাঁটছে রাজ্য। দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে এবং রোদের তেজও বেড়েছে। ভোর ও রাতে সামান্য ঠান্ডা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরম স্পষ্ট অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী প্রায় দীর্ঘ সময় পর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উনিশ ডিগ্রির ঘরে নেমেছে। আজ শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উনিশ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দিনের দিকে তাপমাত্রা আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে তাপমাত্রা এক ধাক্কায় প্রায় তিন ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্নদুই তাপমাত্রাই বাড়বে। সকালে ও রাতে শীতের আমেজ দ্রুত কমে যাবে। ইতিমধ্যেই দিনের বেলায় শীতের অনুভূতি প্রায় নেই বললেই চলে। সপ্তাহের শেষে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কুড়ি থেকে একুশ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বত্রিশ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে।বর্তমানে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা উত্তর-পশ্চিম ভারতের কিছু অংশে সক্রিয় রয়েছে এবং নতুন করে আরেকটি ঝঞ্ঝা প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপ ধীরে ধীরে দুর্বল হলেও আবার নতুন নিম্নচাপ তৈরির ইঙ্গিত মিলেছে। এর প্রভাবে জলীয় বাষ্প রাজ্যে প্রবেশ করবে এবং আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে।দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে দিনের গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে। বাগডোগরা ও জলপাইগুড়িতে তাপমাত্রা তেত্রিশ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। পুরুলিয়াতেও পারদ বত্রিশ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলায় তাপমাত্রা ত্রিশ ডিগ্রির আশেপাশে রয়েছে। কলকাতায় টানা কয়েক দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ত্রিশ ডিগ্রির ঘরে থাকায় গরমের অস্বস্তি বাড়ছে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে রাতের তাপমাত্রাও আরও কয়েক ডিগ্রি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস।দক্ষিণবঙ্গে আপাতত শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। তবে আগামী সপ্তাহের শুরুতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূল সংলগ্ন কিছু জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি, অন্য জেলাগুলিতে আংশিক মেঘলা আকাশ দেখা যেতে পারে। নিম্নচাপের প্রভাবে বাতাসে আর্দ্রতা বাড়বে।শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও আশপাশের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আঠারো থেকে কুড়ি ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে তাপমাত্রা সতেরো থেকে উনিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পনেরো থেকে আঠারো ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গেও তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে। পাহাড়ে হালকা কুয়াশা থাকলেও দিনের দিকে আকাশ পরিষ্কার থাকবে। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা ছয় থেকে সাত ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। দার্জিলিং পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ছয় থেকে আট ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে এবং সমতল সংলগ্ন এলাকায় এগারো থেকে পনেরো ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। শিলিগুড়ি ও মালদা সহ সংলগ্ন জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ষোলো থেকে উনিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

শুনানিই নয়, এক ঝটকায় খারিজ আবেদন, বেলডাঙা মসজিদ ঘিরে নতুন উত্তাপ

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরের নামে মসজিদ নির্মাণ ঘিরে বিতর্ক ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এই নির্মাণকাজ বন্ধের দাবিতে শীর্ষ আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হলেও তা শুনতে রাজি হল না ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি বিক্রম নাথ ও সন্দীপ মেহেতার বেঞ্চ আবেদনটি গ্রহণ করতে অস্বীকার করে। এর পর বাধ্য হয়ে মামলাকারী নিজের আবেদন প্রত্যাহার করে নেন।জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় বাবরের নামে মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ইতিমধ্যেই নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাবরের নামে ধর্মীয় স্থাপনা তৈরি বন্ধের দাবি তুলে আদালতে করা আবেদনে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদন জানানো হয়েছিল। মামলাকারীর আইনজীবী শুনানির সময় নির্মাণ উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্ট বিতর্কের কথাও তুলে ধরেন।তবে আদালত এই মামলায় হস্তক্ষেপ করতে নারাজ হওয়ায় আবেদনটি খারিজ হয়ে যায়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পরই বেলডাঙায় বাবরের নামে মসজিদ তৈরির ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। সেই অনুযায়ী গত ছয় ডিসেম্বর বিপুল জনসমাগমের মধ্যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। পরে এগারো ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। বিধায়ক জানিয়েছেন, আগামী দুই বছরের মধ্যেই মসজিদ নির্মাণ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।সমস্ত ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত রয়েছে এবং স্থানীয় স্তরেও মতবিরোধ স্পষ্ট হচ্ছে। আদালতের অবস্থানের পর ভবিষ্যতে এই ইস্যু কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

দলের আপত্তি সত্ত্বেও মসজিদ নির্মাণে সাহায্য, নতুন করে চর্চায় তৃণমূল নেতা

বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার রাজনৈতিক মহলে ফের চর্চায় উঠে এলেন হুমায়ুন কবীর। বিভিন্ন বিরোধী নেতার সঙ্গে বৈঠক এবং প্রকাশ্যে মতামত দেওয়ার পর এবার বাবরি মসজিদ ইস্যু নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। এরই মধ্যে মসজিদ নির্মাণের জন্য আর্থিক অনুদান দেওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।নওদা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সফিউজ্জামান শেখ রমজান মাসের প্রথম দিনেই বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য এক লক্ষ এগারো হাজার টাকা অনুদান দেন। ব্যাঙ্ক চেকের মাধ্যমে মসজিদ ট্রাস্টের নামে ওই অর্থ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ইসলামিক ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিয়ার নামে চেক প্রদান করা হয়। এর আগে এই মসজিদ নির্মাণের সমর্থনে মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক নিয়ামত শেখ। এবার সমর্থনের পাশাপাশি সরাসরি আর্থিক সহযোগিতায় বিতর্ক আরও বেড়েছে।কয়েক দিন আগে এক সভা থেকে সফিউজ্জামান শেখ দাবি করেছিলেন, জেলার মানুষই মসজিদ নির্মাণের দায়িত্ব নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই অনুদান দেওয়ার ঘটনা সামনে আসে। বিষয়টি সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।উল্লেখ্য, দলের বিরুদ্ধে মন্তব্য করার জেরে কিছুদিন আগে হুমায়ুন কবীরকে সাসপেন্ড করা হয়। সেই সময় ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছিলেন, বাবরি মসজিদ নির্মাণের মতো বিষয় নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিতে পারে এবং ধর্মের সঙ্গে রাজনীতি মেশানো দল সমর্থন করে না। তৃণমূলের তরফে বারবার স্পষ্ট করা হয়েছে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত দল ভালো চোখে দেখছে না। ধর্মীয় বিষয়কে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনা নিয়েই আপত্তি রয়েছে শাসকদলের একাংশের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal